সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬,

শিরোনাম :

জাতীয় কর্মসূচিকে সফল করতে সবার সহযোগিতা করা উচিত—কুসিক প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু।

জাতীয় কর্মসূচিকে সফল করতে সবার সহযোগিতা করা উচিত—কুসিক প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু।

জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২৬ উপলক্ষে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন কার্যালয়ে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মামুন, প্রধান প্রকৌশলী আবু সায়েম, স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. চন্দনা দেবনাথসহ সিটি কর্পোরেশনের অন্যান্য কর্মকর্তা।

কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন সূত্র জানায়, আজ ২৮ জুন একদিনব্যাপী জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে নগরীর ১১৪টি টিকাদান কেন্দ্রের মাধ্যমে ৫৫ হাজার ১৯১ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হচ্ছে। এর মধ্যে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ৭ হাজার ৮২৫ জন শিশুকে নীল রঙের এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ৪৭ হাজার ৩৬৬ জন শিশুকে লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

ক্যাম্পেইন সফলভাবে বাস্তবায়নে প্রতিটি টিকাদান কেন্দ্রে দুইজন করে স্বেচ্ছাসেবক এবং প্রতিটি ওয়ার্ডে দুইজন করে সুপারভাইজার দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক, আরবান প্রাইমারি হেলথ কেয়ার প্রজেক্ট, সূর্যের হাসি ক্লিনিক, রোটারি ক্লাব, এপেক্স ক্লাব অব কুমিল্লা সিটি এবং বিডি ক্লিন, কুমিল্লার সদস্যরা এ কার্যক্রমে সহযোগিতা করছেন।

কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী প্রতিটি কেন্দ্রে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হচ্ছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু বলেন, “জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন শিশুদের অপুষ্টি প্রতিরোধ, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সুস্থ বিকাশ নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। অভিভাবকদের উচিত নির্ধারিত কেন্দ্রে এসে তাদের শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো এবং এই জাতীয় কর্মসূচিকে সফল করতে সহযোগিতা করা।”

এদিকে কুমিল্লা সিভিল সার্জন কার্যালয় জানিয়েছে, জেলার ৫ হাজার ৩৯টি কেন্দ্রের মাধ্যমে মোট ১০ লাখ ৮ হাজার ৯৭ জন শিশুকে বয়সভেদে নীল ও লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ১০ হাজার ৭৮ জন স্বেচ্ছাসেবক দায়িত্ব পালন করছেন।


add